Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
কুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরাকুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরা

বিস্তারিত

MD Ekram

Dhaka, Bangladesh

প্রকাশিত : 20 May, 2026,
10:59 am

লিংক কপি করা হয়েছে!

কাগজে চিকিৎসক আছে, হাসপাতালে নেই; দুর্ভোগে রোগীরা

কাগজে চিকিৎসক আছে, হাসপাতালে নেই; দুর্ভোগে রোগীরা

সংগৃহীত ছবি

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। কাগজে-কলমে বিভিন্ন পদে চিকিৎসক থাকলেও বাস্তবে তাদের অনেকেই ঢাকাসহ অন্য হাসপাতালগুলোতে সংযুক্ত থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন দুর্গম চরাঞ্চল থেকে আসা সাধারণ রোগীরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদায়ন হওয়া একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বর্তমানে রাজধানী ও জেলা সদরের বিভিন্ন হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। ইউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মুহা. ইফতেখারুল ইসলাম কর্মরত আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারহা আতহার দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে।

এ ছাড়া সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. ইমাদ হোসেন বর্তমানে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে সংযুক্ত রয়েছেন। অ্যানেসথেসিয়া, চক্ষু এবং চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের চিকিৎসকদেরও মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। কয়েকজন মেডিকেল অফিসারও ঢাকায় সংযুক্ত থাকায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট আরও বেড়েছে।

হাসপাতালের অনুমোদিত ২০৩টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংকট মিডওয়াইফ ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে। সাতটি মিডওয়াইফ পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র দুজন। অন্যদিকে চতুর্থ শ্রেণির ২২টি পদের মধ্যে ১০টিই খালি।

ডিজিটাল যুগেও হাসপাতালটিতে এখনো পুরোনো অ্যানালগ এক্স-রে মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলেও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে সেগুলোর পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে না। পুরো উপজেলার জন্য রোগী পরিবহনে রয়েছে মাত্র একটি অ্যাম্বুলেন্স।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আওতায় পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও তিনটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও বিশাল জনগোষ্ঠীর তুলনায় তা পর্যাপ্ত নয়। প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন এবং জরুরি বিভাগে প্রায় ৩০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। তাদের অনেকেই শ্বাসকষ্ট, সিওপিডি ও অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের পদ পূরণ দেখানো হলেও বাস্তবে হাসপাতালে তাদের পাওয়া যায় না। ফলে দরিদ্র রোগীদের বাধ্য হয়ে জেলা সদর কিংবা ঢাকায় যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ দুটোই বাড়তি ব্যয় হচ্ছে।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেহেরুবা পান্না বলেন, সংযুক্তির কারণে কয়েকজন চিকিৎসক নিয়মিত হাসপাতালে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। শূন্য পদ পূরণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, দৌলতপুর দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে চিকিৎসক ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে ধাপে ধাপে জনবল সংকট কমানোর চেষ্টা চলছে।

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...