র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) আগের কাঠামো ও পরিচয়ে থাকছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, বাহিনীটির নামও পরিবর্তন হতে পারে এবং এ বিষয়ে সরকার নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, এক অর্থে র্যাব আগের মতো থাকছে না। নতুন একটি আইনের আওতায় বাহিনীটিকে পুনর্গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এ বিষয়ে কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, র্যাব বিলুপ্তির যে দাবি বিভিন্ন সময়ে উঠেছিল, সেটির আলোচনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি বিশেষায়িত এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা এখনো রয়েছে বলে মনে করে সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সরকারের গত তিন মাসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই র্যাব নিয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলে সমালোচনা রয়েছে। জাতিসংঘসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থাও বাহিনীটি নিয়ে সংস্কার বা বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপিও আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিল। পরে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাহিনীটিকে আধুনিক ও পেশাদার কাঠামোয় পুনর্গঠনের কথা বলা হয়।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ভবিষ্যতে বাহিনীটি র্যাব নামে থাকুক বা অন্য কোনো নামে পরিচালিত হোক, সেটির জন্য একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করা হবে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।