মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের পর এবার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এটি তার ২৫তম চীন সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই সফরে পুতিন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন খাত ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চীন ও রাশিয়া উভয়েই এই সফরকে তাদের ‘সব আবহাওয়ায় চলা অংশীদারত্বের’ প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেখানে চীনকে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছে, সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক বরং আরও গভীর হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
চীন যদিও ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে নিজেদের নিরপেক্ষ ও শান্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দুই দেশ একে অপরের ‘মূল স্বার্থ’ সমর্থন করে এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জ্বালানি ও বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন-শি বৈঠক বিশ্বকে নতুন একটি বার্তা দেবে যে চীন ও রাশিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক এখনো অত্যন্ত দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের চাপেও তা ভাঙার সম্ভাবনা কম।
তাদের আরও ধারণা, চীন নিজেকে একটি স্থিতিশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন জানিয়েছেন, সফরের সময় দুই নেতা পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।