গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে অন্তত ১৯টি হামলার দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে।
রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, লেবানন সীমান্তসংলগ্ন ইসরায়েলি অবস্থান, সেনা সদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে এসব অভিযান চালানো হয়েছে।
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়, হামলাগুলোতে বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন, কোয়াডকপ্টার, ভারী কামানের গোলা এবং পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর লজিস্টিক ও কমান্ড স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ‘নির্ভুল হামলা’ চালানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের আল বাইয়াদ এলাকায় অবস্থিত একটি ইসরায়েলি সামরিক কমান্ড পোস্টে দুটি আক্রমণাত্মক ড্রোন দিয়ে হামলা করা হয়।
এছাড়া রাশাফ এলাকা থেকে অগ্রসর হওয়া একটি ইসরায়েলি বুলডোজারের কাছেও বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের কয়েকটি সামরিক অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
এদিকে পাল্টা হামলায় লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বিমান ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে ইসরায়েল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের একাধিক এলাকা হামলার শিকার হয়েছে।
তবে এসব হামলার লক্ষ্য নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে। ইসরায়েলের দাবি, তারা হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, আবাসিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিস্থিতির মধ্যে সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে ওইসব এলাকায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।