চীনের দেওয়া বিভিন্ন উপহার ও সামগ্রী গ্রহণ না করে সেগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধি দল। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফর শেষে বেইজিং ছাড়ার সময় চীনের দেওয়া কোনো সামগ্রী সঙ্গে নেয়নি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগেই সব উপহার ফেলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (১৬ মে) চীনা কর্মকর্তাদের দেওয়া বার্নার ফোন, পরিচয়পত্র, ব্যাজ, প্রেস আমন্ত্রণপত্র ও বিভিন্ন স্মারক সরিয়ে ফেলে মার্কিন নিরাপত্তা টিম।
হোয়াইট হাউস সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এমিলি গডিন জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে চীনা উৎসের কোনো জিনিস বিমানটিতে নেওয়ার অনুমতি ছিল না। পুরো বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করেছে সিক্রেট সার্ভিস ও নিরাপত্তা বিভাগ।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, চীনের দেওয়া সব সামগ্রী সংগ্রহ করে বিমানবন্দরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোনো কিছুই এয়ার ফোর্স ওয়ানে নেওয়া হয়নি।
মার্কিন গণমাধ্যমের দাবি, সম্ভাব্য নজরদারি ও সাইবার ঝুঁকি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সাইবার নিরাপত্তা ইস্যুতে উত্তেজনা চলছে।
ওয়াশিংটনে ফেরার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আমরাও তাদের ওপর ব্যাপকভাবে নজরদারি চালাই।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক বিশ্লেষক এটিকে দুই দেশের মধ্যকার অবিশ্বাস ও নিরাপত্তা উত্তেজনার নতুন উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।