রাজ্য সরকারের নতুন এক নির্দেশনায় গরু, ষাঁড় ও মহিষসহ গবাদি পশু জবাইয়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্ধারিত সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষরিত সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিধান গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর এবং স্ত্রী-পুরুষ মহিষসহ সব ধরনের গবাদি পশুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
জবাইয়ের উপযোগী সনদ পেতে হলে পশুর বয়স ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি প্রজনন বা কাজের অনুপযোগী হতে হবে। গুরুতর আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগ থাকলে তবেই জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
নতুন নির্দেশনায় পশু জবাইয়ের স্থান নিয়েও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। অনুমোদিত পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা নির্ধারিত স্থানে জবাই করা যাবে। খোলা জায়গা বা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় জবাই এখন থেকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
নিয়ম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, পৌরসভা ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা পরিদর্শন করতে পারবেন এবং বাধা দিলে তা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।