Comilla University-এ আদালতের স্থায়ী স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে বিভিন্ন অনুষদে ডিন নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে শিক্ষকদের পদোন্নতি বোর্ড যথাসময়ে সম্পন্ন না হওয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
বুধবার শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৭ মে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের বরাত দিয়ে ১১ মে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিজ্ঞান, কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, প্রকৌশল, বিজনেস স্টাডিজ ও আইন অনুষদে ডিন নিয়োগের তথ্য প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষক সমিতির দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও চেম্বার জজ আদালতের স্থায়ী স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা আদালত অবমাননার শামিল। একই সঙ্গে এটি সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তেরও ব্যত্যয় বলে মনে করছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এতদিন অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর মধ্যে পালাক্রমে ডিন নিয়োগের প্রচলন ছিল। কিন্তু এবার সেই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের পদোন্নতি বোর্ড সম্পন্ন না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয় করে ঢাকায় তড়িঘড়ি করে সিন্ডিকেট সভা আয়োজনেরও সমালোচনা করেছে শিক্ষক সমিতি।
অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, সিন্ডিকেট সভায় আইন বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে পরবর্তী সভায় ডিন নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু কোনো মতামত না নিয়েই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, অনেক বিভাগের শিক্ষকদের পদোন্নতি আটকে রাখা হয়েছে। মাত্র দুটি বিভাগের শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়া হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে। সব শিক্ষকের প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।