জামালপুরের Jamalpur জেলার মেলান্দহ উপজেলায় কোরবানির হাটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিশালাকৃতির গরু ‘জমিদার’। ফিজিয়ান জাতের এই গরুটির ওজন প্রায় ১ হাজার ৩০০ কেজি, অর্থাৎ এক টনেরও বেশি।
Rafiqul Islam নামের এক খামারির খামারে বড় হয়েছে গরুটি। বিশাল দেহ আর রাজকীয় জীবনযাপনের কারণেই এর নাম রাখা হয়েছে ‘জমিদার’। গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় মানুষ।
খামারি রফিকুল ইসলাম জানান, জমিদারের পেছনে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়। খাবারের তালিকায় রয়েছে কলা, হাঁসের ডিম, দেশি ঘাস, ভুট্টা ও গমের ভুষি। নিয়মিত শ্যাম্পু দিয়ে গোসলও করানো হয় তাকে। বাসি খাবার একদমই খায় না এই বিশালদেহী গরু।
চার বছর আগে খামারেই জন্ম হয়েছিল জমিদারের। ছোটবেলা থেকেই সন্তানের মতো যত্নে বড় করা হয়েছে তাকে। বর্তমানে গরুটির আকার এতটাই বড় যে গোয়ালঘর থেকে বের করতে হলে দেয়াল ভাঙতে হতে পারে বলেও জানান মালিক।
রফিকুল ইসলাম বলেন, গত বছর গরুটির দাম উঠেছিল ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে আরও বড় করার ইচ্ছায় তখন বিক্রি করেননি। এবার ভালো দাম পেলে বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন তিনি।
রফিকুলের স্ত্রী Rozina Begum বলেন, পরিবারের সবাই মিলে জমিদারের যত্ন নেন। তারা চান এমন দামে গরুটি বিক্রি হোক যাতে পরিবার কিছুটা লাভবান হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এলাকায় এর আগে এত বড় গরু কেউ দেখেনি। গরুটি মালিকের কথা বুঝতে পারে এবং ডাক দিলে সাড়া দেয় বলেও জানান তারা।
জামালপুর জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত কর্মকর্তা ATM Habibur Rahman বলেন, ছোট খামারিরাও এখন বড় আকৃতির গরু পালন করে লাভবান হচ্ছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ নিয়মিত খোঁজখবর ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।