ঘরের মাঠে 2014 FIFA World Cup-এ জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল ব্রাজিল। সেই ম্যাচে খেলতে পারেননি Neymar। তবে দুই বছর পর 2016 Summer Olympics-এর ফাইনালে আবার জার্মানির মুখোমুখি হয় ব্রাজিল, ভেন্যু ছিল Maracanã Stadium।
সেই ম্যাচে নেইমার খেলেন এবং গোলও করেন। ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়, যেখানে ৫-৪ ব্যবধানে জিতে অলিম্পিক স্বর্ণ জেতে ব্রাজিল। সেই দলের কোচ ছিলেন Rogério Micale যিনি এখন বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
৫৭ বছর বয়সী মিকালে অভিজ্ঞ কোচ হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালে তিনি Egypt national football team-এর দায়িত্বে থেকে 2024 Summer Olympics-এ অংশ নেন। বর্তমানে তিনি মিশরের অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ হিসেবে কাজ করছেন।
এশিয়ান ফুটবলেও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সৌদি আরবের ক্লাব Al Hilal SFC-এর কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার ক্যারিয়ারে যেমন সাফল্য রয়েছে, তেমনি ব্যর্থতার কারণে দায়িত্ব হারানোর ঘটনাও আছে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নতুন কোচ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বায়োডাটা জমা দেওয়ার সময় নির্ধারিত রয়েছে। ইতোমধ্যে তিন শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে, যেখান থেকে বাছাই করে ২৭ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে। এই তালিকা তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার সদস্য Saeed Hasan Kanan।
তবে এই তালিকায় নেই বর্তমান কোচ Javier Cabrera। তার পারফরম্যান্স নিয়ে বাফুফের একাধিক কর্মকর্তা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, চার বছর দায়িত্বে থেকেও তিনি কার্যকর স্ট্রাইকার খুঁজে বের করতে পারেননি কিংবা জাতীয় দলের বিকল্প স্কোয়াড গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এছাড়া ম্যাচ চলাকালীন দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষমতার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বাফুফে কর্মকর্তাদের মতে, একজন কোচের জন্য ম্যাচ রিডিং ও তাৎক্ষণিক কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—যেখানে কাবরেরা পিছিয়ে ছিলেন।
বাফুফে এখন এমন একজন কোচ খুঁজছে, যিনি শুধু জাতীয় দল পরিচালনা নয়, দেশের লিগগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন, নতুন খেলোয়াড় খুঁজে বের করবেন এবং দীর্ঘমেয়াদি দল গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
বর্তমানে কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে দেশের ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও টেলিভিশনেও বিষয়টি নিয়ে সরগরম পরিবেশ তৈরি হয়েছে।