Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

দেশে কাঁচামরিচের দাম যখন কেজিপ্রতি ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে, তখন আমদানির নথিতে এর মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ২৮ টাকা। একইভাবে আপেল আমদানির ক্ষেত্রেও অস্বাভাবিকভাবে কম, মাত্র ৩৩ টাকা কেজি মূল্য দেখানো হয়েছে। পুরান ঢাকার গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ এভাবে কম দাম দেখিয়ে ভারত থেকে প্রায় ১২৫ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি নজরে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর পর্যবেক্ষণে। প্রাথমিকভাবে অর্থ পাচারের সন্দেহে পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের আমদানি কার্যক্রম চলছিল।

তিনটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব এলসি (LC) খোলা হয়। এর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক-এর ইমামগঞ্জ শাখায় সবচেয়ে বেশি ১৭৪টি এলসির বিপরীতে প্রায় ৮৮ কোটি টাকার আমদানি দেখানো হয়েছে। এছাড়া প্রিমিয়ার ব্যাংক-এর মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি এবং ইসলামী ব্যাংক-এর মাধ্যমে প্রায় ৭ কোটি টাকার পণ্য আমদানির তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত তিন বছরে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ ২৩১টি এলসির বিপরীতে প্রায় ১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। এসব পণ্যের বড় অংশই এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক ‘সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ’ থেকে, যা মূলত শাড়ি ও গহনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ফল বা কৃষিপণ্য নয়।

অভিযোগ রয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিক কম মূল্য দেখিয়ে আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচারের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মজিবুর রহমান দাবি করেছেন, পরিবহন খরচ, শুল্ক এবং পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি হিসাব করে বাজারে বিক্রি করা হয়েছে এবং কোনো অবৈধ লেনদেন হয়নি।

তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর নির্ধারিত শুল্ক কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে এসব আমদানি মূল্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়ায় বিষয়টি সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং আমদানির সীমা লঙ্ঘন ও কম মূল্য দেখানোর বিষয়ে জবাব তলব করেছে। তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...