Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের বিদ্যুৎ খাতে চাপ বেড়েছে। বর্তমানে ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ থাকায় উৎপাদন কমে গেছে, যার বড় প্রভাব পড়ছে গ্রামাঞ্চলে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এতে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

কেন বাড়ছে সংকট

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতি এবং সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এর উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আমদানিকৃত জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ফার্নেস তেল, কয়লা ও এলএনজির দাম বাড়ায় ব্যয়বহুল কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন কমিয়ে গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

উৎপাদন সক্ষমতা বনাম বাস্তবতা

দেশে মোট ১৩৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বাস্তবে এর অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ারে চাহিদা ১৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও উৎপাদন তার নিচেই থাকছে।

কোথায় বেশি লোডশেডিং

লোডশেডিংয়ের চাপ সবচেয়ে বেশি পড়ছে ঢাকার বাইরে। খুলনা, রাজশাহী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

গ্রামাঞ্চলে দিনে ৬ থেকে ৮ বার লোডশেডিং হচ্ছে, ফলে অনেক জায়গায় প্রতিদিন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে কৃষি, সেচ ও ক্ষুদ্র শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

শহরেও চাপ বাড়ছে

শহরে পরিস্থিতি তুলনামূলক কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও রাতের দিকে লোডশেডিং বাড়ছে। সামনে পাবলিক পরীক্ষা থাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিদ্যুৎ খাতের চিত্র

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা ১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০টি গ্যাসভিত্তিক এবং ৮টি তেলভিত্তিক। এছাড়া আরও প্রায় ৩৫টি কেন্দ্র আংশিক উৎপাদনে রয়েছে।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...