রাঙামাটিতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জ্বালানি সংগ্রহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং পাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে ইন্টারনেট সুবিধা সীমিত প্রান্তিক মানুষ ও কৃষকরা ডিজিটাল এই পদ্ধতিতে তেল সংগ্রহ করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শহরের চারটি পাম্পে কিউআর কোড সম্বলিত ব্যানার টাঙানো হয়েছে।
নিবন্ধিত গ্রাহকরা কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের পূর্ববর্তী লেনদেনের তথ্য স্ক্রিনে দেখা যায়, ফলে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে। প্রশাসন জানিয়েছে, এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তেল মজুদ রোধ এবং অপ্রয়োজনীয় ভিড় কমাতে কার্যকর।
জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। অনেকেই বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালু হওয়ায় অতিরিক্ত তেল মজুদ করার সুযোগ বন্ধ হয়েছে এবং তেল বিতরণে শৃঙ্খলা এসেছে। তবে পাহাড়ের দুর্গম এলাকার বাসিন্দা ও যারা ডিজিটাল সুবিধা বা স্মার্টফোনে সীমিত, তারা রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারছেন না।
মেসার্স হিল ভিউ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. ইসমাইল বলেন, “ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল সরবরাহ শুরু হওয়ার ফলে পাম্পে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।”