নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ৭ বছর বয়সী মাদরাসা শিক্ষার্থী সৈকত ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ তদন্তে এক কিশোরকে (১৫+) আটক করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৫ এপ্রিল বিকেলে খেলতে বের হওয়া সৈকত পরদিন উত্তর নরসিংহপুরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন। মাথায় ইট দিয়ে আঘাতের চিহ্ন এবং শরীরে নির্যাতনের আলামত ছিল।
নিহতের ভাই মো. সজিব মিয়া ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
থানার উপপরিদর্শক শামীম হোসেন প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকারী শনাক্ত করেন। সিসিটিভি ফুটেজ এবং অনুসন্ধানের পর মো. জীবন মিয়া নামে কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, “জীবন মিয়া যৌন সহিংসতার প্রবণতায় জড়িত ছিল। সৈকত পরিবারকে বিষয়টি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে ঘটনাস্থলেই ইট দিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।”