ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের কূটনৈতিক ও সামরিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt এই যুদ্ধবিরতিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়’ বলে মন্তব্য করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট Donald Trump এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এই অবস্থান তৈরি হয়েছে। তাদের কঠোর চাপ ও কৌশলগত অবস্থানের কারণেই ইরান আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
লেভেট আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার পথ খুলে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি করে।
অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ‘নীতিগতভাবে’ তাদের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের তথ্যে বলা হয়, এই প্রস্তাব ভবিষ্যতের একটি বড় চুক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। যদিও পুরো চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
তবে যুদ্ধবিরতির মাঝেও উত্তেজনা পুরোপুরি থামেনি। ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। তাদের দাবি, যুদ্ধবিরতির পরও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রাখায় এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পরিস্থিতি এখনো নাজুক। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র এটিকে কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে ইরান নিজেদের শর্ত পূরণের কথা বলছে যা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে।