দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গভীর রাতে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো পরিদর্শন করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশের সব ডিপো থেকেই নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং ডিপো থেকে তেল বেরও হচ্ছে। তবে এরপরও কোথাও কোথাও তেলের সংকটের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কীভাবে সুষমভাবে তেল বণ্টন করা যায় সে বিষয়ে ডিপোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক ইনচার্জকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন দেশের কোনো পাম্পে তেলের ঘাটতি না থাকে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেন না শুনি কোনো পাম্পে তেল পৌঁছায়নি। প্রতিটি পাম্পে ঠিকমতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।’
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে জানান, শনিবার থেকেই এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন শুরু হবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
ডিপো পরিদর্শনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে কোনো সিন্ডিকেট বা চোরাকারবারি সক্রিয় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা দেওয়ার জন্যই তিনি রাতেই পরিদর্শনে এসেছেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদেরও নির্দেশ দেন, যদি কোনো সিন্ডিকেট বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকে, তাহলে তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।
উল্লেখ্য, বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রায় ২০টি জেলার পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির পর থেকে এখানে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিতরণ চলছে, যার আওতায় প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ২৮০টি পাম্পে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।