রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় সম্ভাব্য নিখোঁজ এক ব্যক্তির সন্ধানে টানা তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট ও আশপাশের পদ্মা নদীতে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে।
এ সময় কোস্টগার্ড নদীপথে চলাচলকারী নৌযান ও স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে মাইকিং করে জানায় কোনো ভাসমান ব্যক্তি বা মরদেহ দেখতে পেলে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করতে।
🚨 উদ্ধার পরিস্থিতি:
এ পর্যন্ত নারী, শিশু ও বাসচালকসহ মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন।
📌 ঘটনার পটভূমি:
গত বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকাগামী ‘সোহাগ পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যায়।
🔎 তদন্ত কার্যক্রম:
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, নির্দিষ্টভাবে কারও নিখোঁজ থাকার নিশ্চিত তথ্য না থাকলেও এক নারী তার ভাই নিখোঁজ দাবি করেছেন। তবে তিনি বাসটির যাত্রী ছিলেন কি না, তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত হতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।