ওয়াশিংটন, ১০ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান চলাকালীন এই বোমাগুলো নিখোঁজ থাকায় বিশেষ সতর্কতা নিয়েছে দেশটি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর জানিয়েছে, এই বোমাগুলো “ব্রোকেন অ্যারো” হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ দুর্ঘটনায় হারিয়ে যাওয়া বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্র। নিখোঁজ বোমাগুলো শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মার্কিন প্রশাসন।
মার্কিন নথি অনুযায়ী, ৩২টি “ব্রোকেন অ্যারো” ঘটনার মধ্যে কমপক্ষে ৬টির হদিস এখনো পাওয়া যায়নি। সবচেয়ে আলোচিত দুর্ঘটনাগুলোর একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে টাইবি দ্বীপের কাছে, যেখানে দুটি বিমান সংঘর্ষের পর একটি মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমা পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এই বোমার শক্তি ছিল ৩.৮ মেগাটন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাগাসাকি বিস্ফোরণের ১৯০ গুণ বেশি।
১৯৬৬ সালে আরেকটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা ভূমধ্যসাগরে হারিয়ে যায়, যা এখনও নিখোঁজ। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের ঘটনা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
বিশেষজ্ঞ জেফ্রি লুইস বলেন, “যদি হামলা কোনো শাসনব্যবস্থা অপসারণে সফল না হয়, ইরান কয়েক দশকে পুনরায় পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।”
এখনো কোনো মতামত নেই।