অসুস্থ সন্তানের জন্য ওষুধ সংগ্রহ করে দ্রুত হাসপাতালে ফিরছিলেন এক মা। মনে ছিল তাড়াহুড়া যত দ্রুত সম্ভব সন্তানের শয্যার পাশে পৌঁছানোর আকুতি। কিন্তু সেই ফেরার পথই হয়ে উঠল জীবনের শেষ যাত্রা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সন্তান ৫ম তলার একটি বেডে ভর্তি ছিল। ওষুধ নিয়ে ফিরে এসে তাড়াহুড়োয় ভুল করে ৪র্থ তলায় নেমে পড়েন তিনি। সেখানে সন্তানের বেড না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে আবার উপরে ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এরপরই ঘটে দুর্ঘটনা।
লিফটটি তখন ৫ম তলায় অবস্থান করলেও অজানা কারণে ৪র্থ তলার দরজা খুলে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে এমনটি ঘটে। সামনে লিফট আছে ভেবে দরজা খুলেই ভেতরে পা বাড়ান ওই মা। কিন্তু ভেতরে ছিল না কোনো কেবিন, ছিল অন্ধকার ফাঁকা খাদ।
মুহূর্তেই নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর হাসপাতালজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, লিফটের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের গাফিলতি ছিল।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। লিফট রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা প্রটোকল ঠিকভাবে মানা হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।