Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি আলোচনার প্রেক্ষিতে মধ্যরাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এনসিপির নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

শুক্রবার (৭ মার্চ) রাতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এনসিপির বিরুদ্ধে যেসব দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার মধ্যে এখন পর্যন্ত কতগুলো অভিযোগ বাস্তবে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দীর্ঘ প্রায় ১১ মাসের অনুসন্ধান শেষে আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়ার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো প্রমাণ পায়নি বলে জানায়। শুক্রবার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরপরই হাসনাত আবদুল্লাহ ফেসবুকে এ মন্তব্য করেন।

তার পোস্টে তিনি লিখেছেন, গত কয়েক মাসে এনসিপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ আনা হলেও এখন পর্যন্ত সেগুলোর কতটি সত্য প্রমাণিত হয়েছে সেটিই মূল প্রশ্ন।

পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্যে লিখেছেন, সত্যের পথে থাকলে জনগণের সমর্থন পাওয়া যাবে এবং প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ একসময় অবস্থান নেবে।

আরেকজন মন্তব্য করেন, তরুণ নেতৃত্বের হাত ধরেই দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন সম্ভব এমন প্রত্যাশা অনেক মানুষের মধ্যেই রয়েছে।

এদিকে একই দিনে নিজের ফেসবুক পোস্টে মোয়াজ্জেম হোসেন দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো সত্যতা দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, গত ৫ আগস্টের পর গঠিত সরকারের সময় তাকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

মোয়াজ্জেমের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে এবং পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন তদবির ও ব্যক্তিগত সুবিধা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, অনৈতিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৩১১ কোটি টাকার তদবির-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে প্রচারণা চালানো হয়। পরে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকেও সেই অভিযোগ প্রকাশিত হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টের শেষে দুদকের অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নথির কপি সংযুক্ত করে তিনি সবার কাছে দোয়া চান এবং ভবিষ্যতে এমন মিথ্যা অভিযোগ ও হয়রানির অভিজ্ঞতা যেন আর কাউকে পোহাতে না হয় সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...