Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও কিছু তরুণ রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেকেই সেখানে গিয়েছেন ‘ভাড়াটে সৈন্য’ হিসেবে। যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও সামনে আসছে।

মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা মোহন মিয়াজি এমনই একজন তরুণ, যিনি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন। সম্প্রতি তিনি কোনোভাবে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন।

বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে জীবিত ফিরে আসতে পারবেন এমন আশা তিনি প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন।

তার ভাষায়, যুদ্ধের ময়দানে চারপাশে শুধু ধ্বংসস্তূপ আর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রতিনিয়ত গোলাগুলি, আর্টিলারি হামলা এবং ড্রোন আক্রমণের মধ্যে থাকতে হয় সৈন্যদের।

তিনি বলেন, “ফ্রন্টলাইনে প্রতিটি মুহূর্তই মৃত্যুর আশঙ্কায় কাটে। চারপাশে সবসময় গুলির শব্দ, বিস্ফোরণ আর ড্রোন হামলা চলতেই থাকে। কোথায় কখন ল্যান্ডমাইন আছে, সেটাও বোঝা যায় না। একটু ভুল হলেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।”

মোহন মিয়াজি জানান, যুদ্ধে তার এক বন্ধুও প্রাণ হারিয়েছেন। নোয়াখালীর বাসিন্দা আশিকুর নামের ওই তরুণ তার সঙ্গেই রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। কয়েক মাস আগে ল্যান্ডমাইনের বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়।

যুদ্ধক্ষেত্রে খাবার ও অন্যান্য সরবরাহের সংকটের কথাও জানান তিনি। তার মতে, তীব্র লড়াইয়ের কারণে অনেক সময় খাবার পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ফলে দিনের পর দিন না খেয়ে থাকতে হয় সৈন্যদের।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের এমন পরিস্থিতিতে সেখান থেকে পালিয়ে আসাও অত্যন্ত কঠিন। তবু নানা ঝুঁকি নিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি দেশে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশে চাকরি বা ভালো আয়ের লোভ দেখিয়ে অনেক তরুণকে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে গিয়ে অনেকেই সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে জড়িয়ে পড়ছেন।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এই ধরনের ঘটনার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...