ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইউরোপের তিন প্রভাবশালী দেশ France, Germany এবং United Kingdom নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে দেশগুলো প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) Iran-এর রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযান শুরু হয়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-সহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে ইরানি সূত্রে জানানো হয়েছে।
এ অবস্থায় Donald Trump ঘোষণা দেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তার ভাষায়, এই সামরিক তৎপরতা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আঞ্চলিক কূটনৈতিক চাপ ও মিত্রদেশগুলোর অবস্থান এই অভিযানে প্রভাব ফেলেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।
এরই মধ্যে Keir Starmer জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে নির্দিষ্ট সামরিক স্থাপনা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্যারিস ও বার্লিন থেকেও কঠোর প্রতিক্রিয়া এসেছে।
তিন দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের স্বার্থ ও মিত্রদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় শক্তিগুলোর এ অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। যদিও তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর ঘোষণা দেয়নি, তবু প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হলেও সামরিক তৎপরতা থামার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো মতামত নেই।