ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei সাম্প্রতিক হামলায় নিহত হওয়ার পর দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন নেতৃত্ব কে দেবেন?
ইরানের সংবিধানে সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু বা দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া উল্লেখ রয়েছে। সে অনুযায়ী, স্থায়ী উত্তরসূরি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী পরিষদ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব তত্ত্বাবধান করবে।
এই পরিষদে থাকবেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং Guardian Council-এর একজন ধর্মীয় সদস্য। তাদের সমন্বয়ে সাময়িকভাবে নির্বাহী ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
অন্যদিকে স্থায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হলো Assembly of Experts। সংবিধান অনুযায়ী, এই সংস্থাকে দ্রুত নতুন নেতা নির্ধারণ করতে হবে। তবে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও হামলার প্রেক্ষাপটে সদস্যদের একত্রিত হওয়া কিছুটা জটিল হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
১৯৮৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা Ruhollah Khomeini মৃত্যুবরণ করলে একই দিন খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। ফলে অতীতের নজির বলছে, সংকট মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।
এদিকে কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে শূন্যতা না তৈরি হয়।
খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার পর ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে ইরান। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই দেশটি এখন নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।