বাহারুল আলম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোনো ধরনের শৈথিল্যের সুযোগ নেই। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দলমত বিবেচনা না করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
রোববার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় দেশের সব ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
আইজিপি স্পষ্টভাবে জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কোনো সংগঠনকে মাঠে সক্রিয় হতে দেওয়া যাবে না। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকা হতে হবে নিরপেক্ষ ও পেশাদার। কোনো প্রভাব বা চাপ যেন দায়িত্ব পালনে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেন আইজিপি। হাইওয়ে পুলিশকে কঠোর নজরদারি ও টহল জোরদারের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাতে অপরাধীরা কোনো সুযোগ না পায়।
সভায় পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনো কোনো মতামত নেই।