নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুই ভূমিকাতেই শপথ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্ধারিত শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণে বিরত থাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকেও দুই শপথের কোনোটি না নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
সকালে গণমাধ্যমে কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা যদি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেন, তবে জামায়াতের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন। তবে নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টায় তারা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই সংসদ ভবনের শপথকক্ষে উপস্থিত হয়ে দুই দায়িত্বেই শপথ নেন জামায়াতের এমপিরা। এতে পূর্বের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলমান রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যুক্ত হলো।
এখনো কোনো মতামত নেই।