পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের আইনসভা নির্বাচনকে ঘিরে বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) দাবি করেছে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাওয়ালাকোটে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
যোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত থাকায় হতাহতের সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবারের সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
গত সোমবার প্রথম দফার ভোটে ১৩টি আসনের মধ্যে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নয়টি এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) চারটি আসনে জয় পায়। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দ্বিতীয় দফার ভোট ২ আগস্ট এবং তৃতীয় দফার ভোট ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
এবারের নির্বাচন বর্জন করেছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে বিক্ষোভ, রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগে আজাদ কাশ্মীরের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করাও ক্ষমতাসীনদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।