মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু প্রাধান্য পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বৈঠকটিকে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ বলে মন্তব্য করেছেন।
একই দিনে ওভাল অফিসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, এটি তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম সেরা দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর এটিই ছিল প্রথম সরাসরি বৈঠক। আলোচনায় ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদারে ভবিষ্যৎ সমন্বয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিবিড় নজর রাখছে। তিনি দাবি করেন, দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ইতোমধ্যেই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান সমঝোতায় না এলে ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’ স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর এই বৈঠককে অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।