২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে ফুটবলভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে লিওনেল মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসি। ২০৩০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাকে দেখা যেতে পারে কি না, তা নিয়েই চলছে জল্পনা-কল্পনা।
বর্তমানে ১৩ বছর বয়সী থিয়াগো যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে খেলছে। ইতোমধ্যে অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ে নিজের প্রতিভার ঝলকও দেখিয়েছে সে। ফলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী অনেক সমর্থক।
হিসাব বলছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় থিয়াগোর বয়স হবে ১৮ বছর। সে ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি করলে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার স্বপ্ন একেবারে অসম্ভব নয় বলে মনে করছেন অনেক ভক্ত।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও থিয়াগো একাধিকবার আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে। বাবার পথ অনুসরণ করে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করাই তার লক্ষ্য।
তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির সন্তান হওয়ায় থিয়াগোর ওপর স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি প্রত্যাশা থাকবে। তাই এখনই কোনো চাপ না দিয়ে তার স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ দেওয়া উচিত।
এদিকে থিয়াগোর পাশাপাশি মেসির অন্য দুই ছেলে মাতেও ও চিরোও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে মেসি পরিবারের নতুন প্রজন্মকেও ফুটবল অঙ্গনে দেখা যেতে পারে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।