শনিবার (৩১ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপের প্রভাবে আগামী দিনগুলিতে সারা দেশে তাপমাত্রা আবার কমতে শুরু করবে। বিশেষ করে রাতে ঠান্ডা তীব্র হতে পারে। বর্তমানে, উচ্চচাপ অঞ্চলের একটি বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং আশেপাশের অঞ্চলের উপর অবস্থিত, যা দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী উপত্যকায় ঠান্ডা ফিরিয়ে আনছে।
আবহাওয়াবিদ ডঃ ওমর ফারুক জানিয়েছেন যে আগামী ২৪-৪৮ ঘন্টা আবহাওয়া বেশিরভাগ শুষ্ক থাকবে এবং আকাশ মেঘলা থাকবে। তবে এই স্থিতিশীলতার পরে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।
আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুসারে, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বেশিরভাগ অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ঠান্ডা আরও বাড়িয়ে দেবে। মঙ্গলবার থেকে রাতে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে, তবে মঙ্গলবার থেকে আবার কমতে পারে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল, আগামী পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা তীব্র হ্রাসের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ সারা দেশে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে এই মৌসুমের স্বাভাবিক নিম্নচাপ বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থিত এবং উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃত হবে, যার ফলে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ হ্রাস পাবে এবং শীতকালীন শুষ্কতা বৃদ্ধি পাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপমাত্রার ওঠানামা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক হতে পারে। শিশু এবং বয়স্কদের বিশেষ করে ঠান্ডাজনিত সমস্যার ঝুঁকি থাকে। সকালের কুয়াশার কারণে, রাস্তাঘাট এবং নৌপথে ভ্রমণের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
যদিও আগামী বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে আশা করা হচ্ছে যে এর পরে হাড় কাঁপানো ঠান্ডার নতুন মৌসুম শুরু হতে পারে।
এখনো কোনো মতামত নেই।