বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এবার কেঁপে উঠেছে মিয়ানমার-ভারত সীমান্ত অঞ্চল। ইউরোপিয়ান মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্যমতে, রোববার দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে ৩ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ২৬ দশমিক ৮৬৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৫ দশমিক ২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভারতের ডিব্রুগড় শহর থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং সোনারি শহর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত।
তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
এর আগে একই রাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত এলাকাতেও ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে সংঘটিত ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ২১ দশমিক ৫৬৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২ দশমিক ৫৩৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৪৯ কিলোমিটার।
ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং কক্সবাজার থেকে প্রায় ৫৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে। তবে সেই ঘটনাতেও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এ অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় মাঝেমধ্যেই ছোট ও মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।