সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর মামলায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়। আসামিদের মধ্যে কয়েকজন কারাগারে ছিলেন, কয়েকজন জামিনে এবং একজন পলাতক ছিলেন।
চলতি বছরের এপ্রিলে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় অভিযুক্তদের বক্তব্য গ্রহণ করেন। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
হামলায় একজন যুবলীগ কর্মী নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। তবে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
ঘটনার পর দিরাই থানার উপপরিদর্শক হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে তদন্তের ভিত্তিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অভিযুক্তদের খালাসের রায় দিয়েছেন।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।