Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
কুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরাকুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরা

বিস্তারিত

MD Ekram

Dhaka, Bangladesh

প্রকাশিত : 25 June, 2026,
5:16 pm

লিংক কপি করা হয়েছে!

‘না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি’, ১৩০০ প্রকল্প নিয়ে অর্থমন্ত্রীর আক্ষেপ

সংগৃহীত ছবি

বিগত সরকারের আমলে অনুমোদিত প্রায় ১ হাজার ৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর কার্যকারিতা ও বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, ফলে সরকারকে সেগুলো নতুন করে মূল্যায়ন করতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার বিপুল সংখ্যক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে পেয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে অনেকগুলোর অগ্রগতি, প্রয়োজনীয়তা এবং অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোর বাস্তব অবস্থা মূল্যায়ন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রায় ১ হাজার ৩০০ প্রকল্প বর্তমানে সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রকল্পগুলো এমন অবস্থায় আছে যে এগুলো পুরোপুরি বাতিল করাও কঠিন, আবার আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়াও সহজ নয়। তাই প্রতিটি প্রকল্প পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার আওতায় আনা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, সরকার প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ডিরেগুলেশন বা নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণের নীতির দিকে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যকর তদারকি জোরদার করা হবে।

সেমিনারে সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী শিল্প যেমন মৃৎশিল্প, শীতলপাটি এবং হস্তশিল্প খাতের কারিগরদের আয় বৃদ্ধিতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান।

তার ভাষ্য, স্থানীয় কারুশিল্পকে আরও বাজারযোগ্য এবং উচ্চমূল্যের পণ্যে রূপান্তর করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এতে কারিগরদের আয় বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো পণ্যের বাজারমূল্য বাড়াতে পারলে উৎপাদকও তার ন্যায্য মূল্য পাবেন। মানুষের আয় বৃদ্ধি পেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও টেকসই হবে এবং দেশের জিডিপিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...