বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক এখন বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। আর এই কীর্তির পর তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেন মেসি। এই দুই গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৮। এর মাধ্যমে তিনি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন।
বিশ্বকাপে দীর্ঘদিন সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ছিল রোনালদোর দখলে। ২০০৬ সালে তাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে ওঠেন ক্লোসা। প্রায় এক যুগ পর সেই রেকর্ড আবার নতুন মালিক পেয়েছে।
মেসির এই অর্জন নিয়ে ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে’কিপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি যদি কারও প্রাপ্য হয়, তাহলে সেটি মেসিরই।
তার ভাষায়, ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে বছরের পর বছর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে মেসি নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বকাপের মতো আসরে এমন একটি রেকর্ড তার নামের পাশেই সবচেয়ে মানানসই।
এর আগে মেসির কীর্তিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন মিরোস্লাভ ক্লোসাও। জার্মান কিংবদন্তি তাকে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে উল্লেখ করে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের সময় মেসির বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। ৩৯ বছরে পা দেওয়ার পরও তার পারফরম্যান্স ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করছে। এ প্রসঙ্গে রোনালদো মজার ছলে বলেন, ৩৮ বছর বয়সে তিনি অনেক আগেই অবসর নিয়েছিলেন এবং তখন তার শারীরিক অবস্থাও বর্তমান মেসির মতো ছিল না।
চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসি ইতোমধ্যেই ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেছেন। আর তার এই কীর্তি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতারা
১. লিওনেল মেসি – ১৮ গোল
২. কিলিয়ান এমবাপে – ১৬ গোল
৩. মিরোস্লাভ ক্লোসা – ১৬ গোল
৪. রোনালদো নাজারিও – ১৫ গোল
৫. গার্ড মুলার – ১৪ গোল
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।