গত বছরের নির্বাচনকালীন ছয় মাসে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হামলায় শত শত বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
সোমবার (২৩ জুন) প্রকাশিত জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সময়ে অন্তত ৭০২ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। বিশেষ করে বিমান হামলাকে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আক্রমণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জাতিসংঘ আরও জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযান ব্যবহার করে চালানো হামলায় বড় অংশের হতাহতের ঘটনা ঘটে, যা মোট মৃত্যুর অধিকাংশের জন্য দায়ী।
সংস্থাটির মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডগুলোর জন্য দায়ী মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেন, অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায়ও বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি সরকারের পতনের পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। এরপর দেশটি দীর্ঘ সময় সরাসরি সামরিক শাসনের অধীনে থাকে এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা হয়।
জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন দেশটির চলমান মানবিক সংকটকে আরও গভীরভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।