দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি নিয়ে এবার দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন দেখছে লা রোহারা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ ছন্দে থাকা স্পেনকে ফাইনালে এগিয়ে রাখছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
প্রথমত, টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অসাধারণ রেকর্ড নিয়ে মাঠে নামছে তারা। ফাইনালে জিততে পারলে বিশ্বকাপের পাশাপাশি গড়তে পারে নতুন অপরাজিত থাকার ইতিহাসও।
দ্বিতীয়ত, ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী অভিযানের সঙ্গে এবারের আসরের বেশ কিছু চমকপ্রদ মিল রয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অংশগ্রহণ— নানা কাকতালীয় ঘটনা স্প্যানিশ সমর্থকদের আশাবাদী করে তুলেছে।
তৃতীয় কারণ, স্পেন পেয়েছে নতুন এক সোনালি প্রজন্ম। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, রদ্রি ও পাউ কুবারসিদের মতো তরুণ তারকারা ধারাবাহিকভাবে দলের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখছেন।
চতুর্থত, ফাইনালে ওঠার পথে ইউরোপের শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে স্পেন। পর্তুগাল, বেলজিয়াম ও ফ্রান্সের মতো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে।
সবশেষে, ব্যক্তিনির্ভর নয় বরং দলীয় ফুটবলে বিশ্বাসী স্পেন। পজেশন, প্রেসিং এবং আক্রমণভাগে সমন্বিত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা প্রতিটি ম্যাচে ভিন্ন ভিন্ন নায়ক তৈরি করেছে, যা তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।