Abbas Araghchi অভিযোগ করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করে চালানো হামলার মাধ্যমে ইরানকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা চলছে। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ইরানের একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা আগ্রাসীদের হতাশার বহিঃপ্রকাশ। তার মতে, এ ধরনের আক্রমণ দেশটির বৈজ্ঞানিক অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না।
চলমান সংঘাতের এক মাস পূর্তির প্রেক্ষাপটে তিনি দাবি করেন, একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ হিসেবে ইরানের জ্ঞানভিত্তিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। তার ভাষায়, জ্ঞান ও বিজ্ঞানকে কোনোভাবেই বোমা হামলার মাধ্যমে থামানো সম্ভব নয়।
বক্তব্যে তিনি Israel ও United States-কে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা মনে করছে সামরিক হামলার মাধ্যমে ইরানের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা দুর্বল করা যাবে। অতীতে ইরানি বিজ্ঞানীদের হত্যা ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলা সেই ধারাবাহিকতার অংশ।
আরাঘচি আরও বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলবে। এটি দেশের মনোবল ভাঙার পরিবর্তে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের মতো বেসামরিক স্থাপনাতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকেও পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাকে ঘিরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নও জোরালো হচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।